ইয়ামাহা বাইক ক্রয়ে অর্থায়ন সুবিধা দেবে ইবিএল

বর্তমান সময়ে যাতায়তের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোটরসাইকেল। বিশেষকরে করোনা পরিস্থিতির কারনে মানুষ যাতায়তের জন্য দুই চাকার প্রতি বেশি ঝুঁকছেন। শুধুমাত্র করোনা থেকে বাঁচতেই নয়, বরং বড় শহরগুলোর ট্রাফিক জ্যাম এড়িয়ে সময়ের মধ্যে কাংখিত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য মোটরসাইকেলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সকলের ক্রয় ক্ষমতার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ব্যাংকগুলো বাইকারদের দিচ্ছে বিভিন্ন অংকের আর্থিক লোন। আর এরই ধারাবাহিকতায়  ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের অথরাইজড ডিস্ট্রিবিউটর এসিআই মোটরস লিমিটেড তাদের আগ্রহী ক্রেতাদের আর্থিক সুবিধা প্রদানের জন্য ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) সাথে ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি ভার্চুয়াল চুক্তি সাক্ষর করে।

উক্ত ভার্চুয়াল চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রিটেইল ও এসএমই ব্যাংকিং প্রধান এম খোরশেদ আনোয়ার, এসিআই মোটরসের নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস, ইবিএল হেড অব এসেট ( রিটেইল ও এসএমই বাংকিং) তাসনিম হোসাইন, এবং এসিআই মোটরসের ফিন্যান্স ও প্লানিং নির্বাহী পরিচালক মনির হোসেইন খান।

ইবিএল টু-হুইলার লোনের শর্তাবলীঃ

লোনের ধরন ও পরিমানঃ

  • লোনের পরিমান সর্বনীম্ন ৭০,০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪,০০,০০০ টাকা।
  • লোন পরিশোধের সময়সীমা সর্বোচ্চ ৬০ মাস ( ৯৯,০০০ এর নিচে ৩৬ মাস এবং ১৯৯,০০০ এর উপরে ৬০ মাস)।
  • লোন প্রসেসিং ফি লোনের পরিমানের .৫%।
  • সুদের হার ৯%।
  • LTV ৭০%।
  • যৌথ নিবন্ধন ( ব্যাংক এবং গ্রহীতা)।
  • একজন নিজস্ব জামিন্দার আবশ্যক।
  • মেটলাইফ ইনস্যুরেন্স কভারেজ (ঐচ্ছিক)।

ঋণগ্রহীতার যোগ্যতাঃ

  • বেতনভুক্ত কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, জমি মালিক, চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী।
  • বয়সঃ সর্বোনীম্ন ২২ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬৫ বছর।
  • আয়ঃ কর্মকর্তা – ২০,০০০/-, ব্যবসায়ী এবং জমি মালিক ২৫,০০০/-, চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী – ৩০,০০০/-। 

চাকরি বা সেবার সময়সীমাঃ

  • বেতনভুক্ত কর্মচারী – সর্বনীম্ন ১ বছর এবং ৬ মাস চাকরিরত।
  • ব্যবসায়ী – ২ বছরের ট্রেড লাইসেন্স।
  • জমি মালিক – দরকার নেই।
  • চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী – ২ বছরের চাকরি অভিজ্ঞতা। 

Related Posts