Suzuki Bangladesh
৩৫০ সিসি অনুমতি পেলে কোন কোন বাইক আসতে যাচ্ছে বাংলাদেশে - দেশি বাইকার

৩৫০ সিসি অনুমতি পেলে কোন কোন বাইক আসতে যাচ্ছে বাংলাদেশে

Tourino Tyres

একটা সময় আমাদের দেশেও কোনো সিসি লিমিট ছিল না। ২০০৩ এর দিকে হুট করেই চলে আসে সিসির উপরে সীমাবদ্ধতা। বাইক কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের বাইকারদেরও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এই সিসি লিমিট উঠে যাক। সম্প্রতি ইফাদ অটো মোবাইলস বিশ্ববিখ্যাত রয়েল ইনফিল্ড এর মোটরসাইকেল বাজারে নিয়ে আসবে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। হয়তোবা খুব সম্ভবত চলতি বছর মার্চ-এপ্রিলে সিসি লিমিট ১৬৫ থেকে ৩৫০ এ উন্নিত হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। সব জনপ্রিয় বাইক কোম্পানি গুলো ইয়ামাহা, বাজাজ, সুজুকি, রানার সহ বিভিন্ন চাইনিজ কোম্পানিও এক মত পোষন করেছেন সিসি লিমিট বাড়ানোর জন্য। তবে এর সাথে অবশ্য এক মত পোষন করেনি বাংলাদেশে হিরো এর অথরাইজড ডিস্ট্রিবিউটর নিলয় মটরস। এছাড়াও আর এক জাপানী ব্রান্ড হোন্ডা বলেছে, সিসি লিমিট ৩৫০ নয় আমরা চাই একদম সিসি লিমিট উঠে যাক। যেহেতু বেশির ভাগ বাইক কোম্পানি এবং দেশের বাইকাররা চায় সিসি লিমিট বেড়ে যাক সেহেতু একটা আশা দেশের বাইকাররা করতেই পারে। শুধু সিসি লিমিট বেড়ে গেলেই যে বাইকাররা তাদের পছন্দের বাইকটি নিতে পারবে তা নয় কেননা আমাদের দেশে বাইকের মূল্য যেন আকাশ ছোঁয়া যার অন্যতম কারণ হচ্ছে বাইকের উপর অত্যাধিক ভ্যাট এবং ট্যাক্স। আর সিসি লিমিট বেড়ে গেলে যা আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সরকারের উচিৎ বাইকের উপর ভ্যাট ট্যাক্সের বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা।

আসলে অধিক সিসি বলতে অধিক শক্তি উৎপন্ন করা, কিন্তু তার মানে এই না যে সিসি বেশি মানেই এর গতিও অনেক বেশি। অনেক বছর থেকে দেশের বাইকাররা ১৫০-১৬৫ সিসির মাঝেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। আমাদের দেশের মোটরসাইকেল কোম্পানীগুলো তাদের প্রিমিয়াম সেগমেন্টের বাইক গুলো বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসতে পারছে না শুধু মাত্র সিসি লিমিটের জন্য। বেশির ভাগ জাপানিজ, ভারতীয় এবং ইউরোপিয়ান ব্রান্ডগুলোর রয়েছে আকর্ষনীয় মডেলের এবং হাই সিসির অনেক মোটরসাইকেল, যা দেশের বাজারে নিয়ে আসতে পারছে না শুধু মাত্র সিসি লিমিটের জন্য। আচ্ছা ধরুন, কোনো এক সকালে ঘুম ভেঙেই শুনলেন সিসি লিমিট উঠে গেছে, তাহলে প্রথমেই আপনার জন্য কোন মোটরসাইকেল পছন্দ করবেন?

আমরা যদি দেশের বাইরের উন্নত দেশগুলো বাদ দিয়েও আমাদের প্রতিবেশি দেশ গুলোর দিকে তাকাই তাহলে দেখা যাবে তাদের কোনো সিসি লিমিট নেই, কিন্তু আমাদের কেবল তা দেখে মনের শান্তি মেটাতে হবে আর হয়তো ইন্টারনেটে কিংবা ইউটিউবে হাই সিসি বাইকের ভিডিও দেখেই দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হবে। বাংলাদেশের সকল বাইকাররা আনলিমিটেড সিসি না হলেও তারা ২৫০-৩৫০ পর্যন্ত সিসি লিমিট দাবী করে আসছে। তবে বর্তমান সময়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই সিসি লিমিট ইস্যুটি। কিছু মানুষ এর বিপক্ষেও কথা বলেছে, অনেকেই বলেছে সিসি লিমিট বেড়ে গেলে সড়ক দূর্ঘটনার প্রবনতা আরো বেড়ে যাবে। কিন্তু অনেকেই এটা জানে না যে যতো হাই সিসি সেগমেন্টের বাইক আসবে সেগুলোতে ততো অত্যাধুনিক ব্রেকিং সিস্টেম, ভাল কন্ট্রোলিং এবং ব্যালেন্স পাওয়া যাবে। সব মিলিয়ে সিসি লিমিট ইস্যুটা ঝুলে আছে সরকারের শেষ অনুমতির অপেক্ষায়। এদিকে অনেক বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান নতুন নতুন হাই সিসি মোটরসাইকেলের সোল ডিসট্রিবিউটরশীপ নেয়ার জন্য প্রস্তুত। এখন যদি বাংলাদেশ সরকার সিসি লিমিট ১৬৫ থেকে ৩৫০ করে দেয়া হয় তাহলে দেশের মোটরসাইকেল বাজারে বিশাল এক পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে এটা আশা করাই যায়।

এখন আমরা একটু দেখবো বর্তমান ভ্যাট – ট্যক্স সহ সিসি লিমিট বেড়ে গেলে যেসব বাইক বাজারে আসতে পারে এবং তার সম্ভাব্য মূল্যঃ

মোটরসাইকেল লিস্ট (১৮০ – ৩৫০) সিসি
নাম সম্ভাব্য মূল্য
Bajaj Pulsar RS 200 ৪,০০,০০০/-
Bajaj Pulsar NS 200 ৩,০০,০০০/-
Bajaj Pulsar 220 F ২,৫০,০০০/-
Bajaj Dominar 250 ৪,২০,০০০/-
Bajaj Avenger Cruise 220 ২,৭০,০০০/-
Bajaj Pulsar 180F ২,৫০,০০০/-
TVS Apache RTR 200 4V ২,৯০,০০০/-
TVS Apache RTR 180 ২,১০,০০০/-
TVS Apache RR 310 ৬,০০,০০০/-
Hero XPulse 200 ৩,৫০,০০০/-
Hero Xtreme 200S ৩,৮০,০০০/-
Royal Enfield Classic 350 ৬,০০,০০০/-
Royal Enfield Bullet 350 ৪,০০,০০০/-
Royal Enfield Meteor 350 ৬,০০,০০০/-
Yamaha Fazer 25 ৪,২০,০০০/-
Yamaha FZs 25 ৪,০০,০০০/-
Yamaha R3 ৯,৫০,০০০/-
Honda CB Hornet 200R ৩,০০,০০০/-
Honda CBR 250R ৮৫০,০০০/-
Honda Rebel 300 ৬,০০,০০০/-
Honda CB 300R ৭,০০,০০০/-
Honda CBR 300R ৯,০০,০০০/-
Honda Hness CB 350 ৬,৫০,০০০/-
Suzuki GSX 250 ৫,০০,০০০/-
Suzuki Gixxer 250 ৪,২৫,০০০/-
Suzuki Gixxer SF 250 ৪,৬৫,০০০/-
KTM Duke 200 ৬,৫০,০০০/-
KTM Duke 250 ৭,৫০,০০০/-
KTM RC 200 ৬,০০,০০০/-
Kawasaki Ninja 250 ৯,০০,০০০/-
Kawasaki Versys-X 250 ৭,০০,০০০/-
BMW G 310R ৯,৫০,০০০/-
Lifan KPR 200 ২,৫০,০০০/-
Lifan KPT 200 ৩,০০,০০০/-
GPX Demon GR 200R ৫,৫০,০০০/-

তরুণদের প্রথম এবং প্রধান চাহিদা বলা যেতে পারে গতি এবং রেসিং টাইপের মোটরসাইকেল, এজন্যই হাই সিসি মোটরসাইকেলের প্রতি চাহিদা বেশি তরুণদের। আমরা সকলেই জানি আমাদের দেশে অধিক স্পিডে বাইক চালানোর মতো রোড নেই বললেই চলে। এমনও সময় দেখা যায় ঢাকা শহরে বেশ কিছু রোডে ১০ কিঃমিঃ/ঘন্টায় চলতে হয়। হাই সিসি মোটরসাইকেল যে শুধু স্পিডের জন্য চালানো হয় আসলে জিনিসটা তেমন নয়, তাহলে হয়তো দেশের রাস্তায় R15 V3, GSXR, CBR এর মতো স্পোর্টস বাইক দেখা যেতো না। আর সিসি মানেই হাই স্পিড নয় একটা জিনিস আমরা খেয়াল করতে পারি খুব সহজেই বাজারে ১৫০সিসির অনেক বাইক রয়েছে যেমন- Pulsar, Apache RTR, Suzuki Gixxer, Suzuki GSXR সহ আরো অনেক ব্রান্ডের অনেক বাইক বর্তমান সময়ে বাজারে রয়েছে। সব গুলো বাইক ১৫০ সিসি হলেও এদের স্পিড কিন্তু এক নয় কিছু ১৫০ সিসি বাইকের টপ স্পিড হয়তোবা ১২০ আবার কিছু ১৫০ সিসি বাইকের টপ স্পিড ১৬০+ প্রতি ঘন্টায়। এখানে বুঝাই যাচ্ছে অধিক সিসি মানেই অধিক স্পিড নয় বরং অধিক সিসির বাইক গুলো ব্রেকিং সিস্টেম আরো অনেক বেশি ভাল হয়।

এখন পর্যন্ত বলা কঠিন কোন কোম্পানী কোন কোন বাইক নিয়ে আসতে যাচ্ছে তবে ৩৫০ সিসি লিমিটের মধ্যে সেরা ৫ টি বাইক নিয়ে আজ আমরা কিছু আলোচনা করবোঃ

Pulsar RS 200

বাংলাদেশের বাজারে সবচেয়ে বেশি জায়গা নিয়ে আছে যে কোম্পানী সেটি হলো বাজাজ, যার একদম ১০০ সিসি থেকে শুরু করে ১৬০ সিসি পর্যন্ত বাইক বর্তমান সময়ে বাজারে বেশ রাজত্ব করে আসছে। এবং সিসি লিমিট যদি ৩৫০ পর্যন্ত করা হয় আশা করা যায় তখনো বাজাজের রাজত্ব বেশ থাকবে। এর মধ্যে বাজাজের Pulsar RS 200 অন্যতম পছন্দ থাকবে তরুণদের। এই RS 200 শুধু ভারতেই না এর ফ্যান বাংলাদেশের হাজার তরুণ আছে, যারা অপেক্ষায় রয়েছে কবে আসবে এই মেশিনটি। বাজাজের পালসার সিরিজ এই কোম্পানীর সর্বোচ্চ বিক্রিত মডেল এবং এই মডেল প্রথম বাজারে নিয়ে আসে ২০০১ সালে। RS প্রথম বাজারে আসে ২০১৪ সালে এবং এর ডিজাইন নেয়া হয় Pulsar NS 200 এবং SS400 থেকে। এই RS200 বাইকটি বাজাজের সর্বপ্রথম ফুয়েল ইঞ্জেকশন বাইক হিসেবে বাজারে আসে এছাড়া এর ফুল ফেয়ার্ড লুক, টুইন প্রজেকশন হেড লাইট বাইকটিতে আরো এগ্রেসিভ লিক দিয়েছে এবং এই বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে হয়েছে সিঙ্গেল চ্যানেল এবিএস। এছাড়া বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ট্রিপল স্পার্ক প্লাগ, ৪ ভাল্ব যুক্ত ২০০সিসি এর BSVI DTS-i FI ইঞ্জিন। বাইকটির ২০০ সিসির এই পাওয়ারফুল ইঞ্জিন কে ঠান্ডা রাখার জন্য দেয়া হয়েছে লিকুইড কুল সিস্টেম। বাইকটি 24.5 Bhp মাক্সিমাম পাওয়ার 9750 rpm এবং 18.7 Nm টর্ক 8000 rpm। বাইকটির টপ স্পিড প্রায় ১৭০কিঃমিঃ/ ঘন্টায় এবং বাইকটির এভারেজ মাইলেজ ৩৫কিঃমিঃ/লিটারে।

Yamaha R3 

Yamaha YZF R3 কে আমরা সবাই Yamaha R3 নামেই চিনি, যেটি কিনা প্রথম ২০১৫ সালে ইয়ামাহা তাদের ইন্দোনেশিয়া ম্যানুফ্যাকচার প্লান্টে প্রথম এসেম্বল করে। ইয়ামাহার এই বাইকটি মূলত রেসিং সেগমেন্টের শুরুর দিকের বাইক যার ডিজাইন করা হয়েছে অনেকটা Yamaha R25 থেকে। বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ডাউনড্রাফট ইন্ডাকশন FI ইঞ্জিন। এর ১০ স্পক সেটের অ্যালুমিনিয়াম রিম গুলো বাইকের ওজন কমিয়ে আনে যা এর গতি তুলতে বেশ সাহায্য করে, বাইকটির ২০১৮ সালের এডিশনে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস ব্যবহার করা হয়েছে এবং ইউরো ৪ স্ট্যান্ডার্ড। বাইকটিতে ৩২১সিসির 4 Strock, 4 valve, DOHC ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যেটি কিনা 40.8 Bhp মাক্সিমাম পাওয়ার 10750 rpm এবং 29.6 Nm টর্ক 9000 rpm। বাইকটি থেকে টপ স্পিড পাওয়া যাবে প্রায় ১৮৫কিঃমিঃ/ঘন্টায়।

 

Honda CBR 250RR

Honda CBR 250RR হচ্ছে হোন্ডার RR সিরিজের প্রথম ডাবল সিলিন্ডার বাইক। এই বাইকটি প্রথম উন্মোচিত করা হয় ২০১৬ সালে জাকার্তায় এবং সেই সময় বাইকারদের কাছে বেশ সাড়া পাওয়া যায় বাইকটি নিয়ে। বাইকটি অফিশিয়ালি ইন্দোনেশিয়া, জাপান, হংকং, ম্যাকাও, থাইল্যান্ড এবং মালেয়শিয়াতে পাওয়া গেলেও প্রতিবেশি ভারতে এখনো আসে নি। হোন্ডা ক্লেইম করে তাদের এই ২৫০ সিসির বাইকটি হোন্ডার RC213V মটোজিপি রেসিং বাইকের মতো throttle-by-wire technology, ৩ টি আলাদা রাইডিং মুড এবং আরো কমপ্যাক্ট ইঞ্জিন ডিজাইন দেয়া হয়েছে। বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 4-Stroke, 8-Valve, Parallel Twin Cylinder, এটিতে ফুয়েল ইঞ্জেকশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর এর ইঞ্জিনকে ঠান্ডা করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে লিকুইড কুল সিস্টেম। ২৫০ সিসির এই বাইকটি 40.2 Bhp মাক্সিমাম পাওয়ার 13000rpm, এবং 25 Nm টর্ক 11000 rpm এ উৎপন্ন করতে সক্ষম। বাইকটির টপ স্পিড প্রায় ১৭৯কিঃমিঃ/ঘন্টায়।

TVS Apache RR310 

ভারতীয় ব্রান্ড TVS এর অন্যতম থ্রিলিং বাইক হচ্ছে এই Apache RR310. এবং এটাই এই কোম্পানির একমাত্র ফুল ফেয়ার্ড বাইক। TVS Apache RR310 স্ট্যান্ডার্ড টিভিএস এর আকুলা বাইকের মডেল থেকে নেয়া এবং ইঞ্জিন ও টেকনোলজি তৈরী করা হয়েছে BMW এবং TVS এর মিলিত প্রচেষ্টায়। এই ফুল ফেয়ার্ড স্পোর্টস বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 4 stroke, 4 valves, reverse inclined technology এর সিঙ্গেল সিলেন্ডার ইঞ্জিন যেটি কিনা 33.5 BHP মাক্সিমাম পাওয়ার @ 9700 rpm এবং 27.3 Nm টর্ক @ 7700 rpm উৎপন্ন করেতে সক্ষম। বিপরীতমুখী ইঞ্জিনের প্রযুক্তিটি সংক্ষিপ্ত হুইলবেস সহ সামনের চাকাটির কাছাকাছি প্রদত্ত ইঞ্জিনটির সাথে বাইকের সামগ্রিক ভরকে কেন্দ্রিয়করণে সহায়তা করে। বাইকটি থেকে টপ স্পিড পাওয়া যাবে ১৬০ কিঃমিঃ/ ঘন্টায়।

Royal Enfield Classic 350

মোটরসাইকেল জগতে রয়েল ইনফিল্ড একটি ক্লাসিক এবং প্রিমিয়াম নাম। এই বাইকটির প্রতি মানুষের যে আকর্ষন এবং চাহিদা তা যেকোন বয়সের রাইডারকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। রয়েল ইনফিল্ড ওরচেস্টারশায়ারের নিজস্ব সংস্থা দ্য এনফিল্ড সাইকেল কোম্পানি লিমিটেড অব রেডডিচ। তারা তাদের ক্লাসিক ৩৫০ বাইকটিকে প্রথম নিয়ে আসে ২০০৯ সালে। ওই সময় তারা তাদের এই বাইকের কার্বুরেটর ভার্সন নিয়ে এলেও ২০১৮ সালে তারা এর আপডেট ভার্সন হিসেবে ফুয়েল ইঞ্জেকশন টেকনোলজি এবং এবিএস ব্রেকিং সিস্টেম নিয়ে আসে। নতুন এই ভার্সনটিতে তারা ব্যবহার করেছে সিঙ্গেল সিলেন্ডারের 4 stroke, air-cooled fuel injection ৩৪৬ সিসির ইঞ্জিন, যেটি 20.07 Bhp মাক্সিমাম পাওয়ার @ 5250 Rpm এবং 28 Nm টর্ক @ 4000 rpm এ শক্তি উৎপন্ন করতে সক্ষম।

এই ৫ টি বাইক ছাড়াও যদি সিসি লিমিট বেড়ে যায় তাহলে আরো অনেক এক্সাইটিং নতুন নতুন বাইক দেশের মাটিতে আমরা দেখতে পারবো বলে আশা করি। কিছু ইউরোপিয়ান ব্রান্ড KTM, Aprilia, Vespa, BMW এবং কিছু চাইনিজ ব্রান্ড যেমন – Lifan, Loncin GP, Haojue তাদের নতুন প্রডাক্ট বাজারে নিয়ে আসবে। তাই এটাও বলা যায় সিসি লিমিট বেড়ে গেলে মোটরসাইকেল কোম্পানিগুলোর মাঝে বেশ প্রতিযোগীতা শুরু হবে বলাই যায়।

মন্তব্য
Shell Advance

About The Author

Related Posts

error: Content is protected !!
×