আরেক দফা বাড়তে পারে মোটরসাইকেলের দাম

দেশের বাজারে প্রতিদিন ওঠানামা করছে ডলারের দাম। কিন্তু আমদানীর ক্ষেত্রে এলসি করতে প্রায় ১১০ টাকায় কিনতে হচ্ছে ডলার। আর তাই এই পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে হয়তো অনেকটাই সময়ের প্রয়োজন। গত ১৮-১৯ আগষ্ট ডলারের রেট অনেকটা কমে গেলেও ফের তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকায়। এমতাবস্থায় প্রায় সব মোটরসাইকেল কোম্পানী তাদের আমদানী এবং বিপনন চালিয়ে যাচ্ছে।

সুতরাং, স্টক শেষ হওয়া এবং ডলার রেটের স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত মোটরসাইকেলের হয়তো আগামী বাজেট পর্যন্ত কমার তেমন কোন সুযোগ নেই। অন্য দিকে মোটরসাইকেল মার্কেটে কিছুটা মন্দা থাকার কারণে কোম্পানীগুলো কিছু হিমসিম খাচ্ছে। আর তাই বরং দাম কমা নয়, বাড়ার সুযোগ রয়েছে বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

বেশ কিছু কোম্পানী দেশেই মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করলেও, এই উৎপাদনে রয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা। কেউ দেশে পার্টস এনে এসেম্বল করছে, কেউ সিবিইউ বাইক আনছে আবার কেউ ম্যানুফেকচার শুরু করলেও প্রতিটি পার্টস উৎপাদনে  সক্ষম নয়। আবার অন্যদিকে উৎপাদন শুরু করলেও কাঁচামালের জন্য পথ চেয়ে থাকতে হয় জাপান, চায়না কিংবা ইন্ডিয়ার দিকে। সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশে মোটরসাইকেল আস্তে আস্তে উৎপাদনমুখী হলেও তা পুরোপুরি আমদানী নির্ভর।

অন্যদিকে আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত লার্নার কার্ড দিয়ে মোটরসাইকেল কেনার ব্যাপারে সাময়িক অনুমতি দিয়েছে বিআরটিএ। হয়তো ডিসেম্বর থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল ক্রয় একেবারে নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। আর তাই মোটরসাইকেল বিক্রির পরিমাণও কমে যাবে বলে আশংকা করছে মোটরসাইকেল কোম্পানীগুলো।

বাজাজ, টিভিএস, হিরো, রানার, ইয়ামাহা, সুজুকি, হোন্ডা সহ প্রায় সকল কোম্পানী মোটরসাইকেলের দাম বাড়িয়েছে এক দফা। পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলে ফের এক দফা দাম বাড়বে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে।

Related Posts

Add Comment