Yamaha Saluto 125 এর মালিকানা রিভিউ (লিখেছেন- প্রিন্স)

বাংলাদেশের বাজারে অন্যতম একটি জায়গা নিয়ে আছে ১২৫ সিসি সেগমেন্ট, আমি বাইক কেনার সময় কিছুটা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম কি বাইক নিবো এতো গুলা বাইকের মাঝে। কেননা আমি বেশির ভাগ সময় সিটি রাইড করে থাকি তাই একটু মাইলেজ ভাল, কম্ফোর্ট সব দিক বিবেচনা করছিলাম। সব মিলিয়ে নিয়ে নেই Yamaha Saluto 125 বাইকটি।

শেষ ১ বছরে বাইকটি নিয়ে আমি মোটামুটি ৮ হাজার কিঃমিঃ চালিয়েছি, এর মাঝে হাইওয়ে রাইড করেছি বেশ কয়েকবার, এই দীর্ঘ সময়ের রাইডের সকল ভাল ও খারাপ দিক শেয়ার করছি আজ।

বাইকের অন্যতম বড় ইস্যু হচ্ছে এর ব্রেকিং, প্রথমে কিছুটা চিন্তিত ছিলাম এর টায়ার সাইজ দেখে যে এর ব্রেকিং ভাল হবেতো? কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ্‌ এর ব্রেকিং দেখে অবাক, এর ৯০ সেকশনের টায়ারে এর ব্রেকিং এবং ব্যালেন্সিং আমাকে অবাক হতে বাধ্য করেছে। অবশ্য এর আগেও শুনেছি ব্রেকিং এবং ব্যালেন্সিং এর দিক দিয়ে ইয়ামাহা বরাবরই সুনাম অর্জন করে আসছে। এর ব্রেকিং নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।

এর পর আসি এর এক্সিলারেশন, বাজারে ১২৫ এর অনেক বাইক ই টেস্ট রাইড করেছি তাদের মধ্যে বললে বলবো স্যালুটোতে এক্সিলারেশন যা আছে তা যথেষ্ট, হাইওয়েতে যখন বাস বা ট্রাক কে ওভারটেক করতে হয় আমার কখনো সমস্যা ফিল করি নি। এর পর বাইকের মাইলেজ নিয়ে কথা বলবো শুনেছিলাম স্যালুটোকে মাইলেজ কিং বলা হয়, তবে সবাই কেমন পায় তা জানা নেই তবে আমি এখন অব্দি আমি সিটি হাইওয়ে মিলিয়ে এভারেজ ৪৮-৫০ পেয়েছি। আমার কাছে কিছুটা কম মনে হয়েছে এটা। এছাড়া এর রাইডিং পজিশন টা বেশ আরাম দায়ক যা আমি হাইওয়ে রাইডে বেশ ভাল ভাবে ফিল করি। এই বাইক নিয়ে এখন পর্যন্ত সিলেট, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ঘুরেছি আলহামদুলিল্লাহ্‌ হিল রাইড, অফ রোড কোনো কিছুতেই হতাশ হই নি।

এর পর আসি এর কি কি জিনিস আমার কাছে একটু খারাপ লেগেছে,

প্রথমেই বলবো এর সিট টি নিয়ে এর সিট বেশ হার্ড, যা লং রাইডে কিছুটা সমস্যা মনে হয়েছে আমার কাছে। এর পর এর রেয়ার সাস্পেনশন এর কথা বললে বলবো এর রেয়ার সাস্পেনশন টি বেশ হার্ড ভেবেছিলাম হয়তো কিছুটা রাইড করার পর তা ঠিক হবে কিন্তু এখনো সেটি হার্ড। আর মাইলেজ এর কথা বললে এটা আমার কাছে খারাপ লাগে নি আসলে মাইলেজ টা রাইডারের উপর অনেকাংশে নির্ভর করে।

এই ছিলো আমার ৮০০০ কিঃমিঃ রাইডিং অভিজ্ঞতা।

লিখেছেন- মাহবুব আলম প্রিন্স

Related Posts