ডলারের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মোটরসাইকেলের দাম

বেশ কিছু কোম্পানী দেশেই মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করলেও, এই উৎপাদনে রয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা। কেউ দেশে পার্টস এনে এসেম্বল করছে, কেউ সিবিইউ বাইক আনছে আবার কেউ ম্যানুফেকচার শুরু করলেও প্রতিটি পার্টস উৎপাদনে  সক্ষম নয়। আবার অন্যদিকে উৎপাদন শুরু করলেও কাঁচামালের জন্য পথ চেয়ে থাকতে হয় জাপান, চায়না কিংবা ইন্ডিয়ার দিকে। সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশে মোটরসাইকেল আস্তে আস্তে উৎপাদনমুখী হলেও তা পুরোপুরি আমদানী নির্ভর।

যখন কোন জিনিস আমদানী নির্ভর হয় তখন দেশে চলতি ডলার রেট অনেক বেশি প্রভাবক হিসেবে কাজ। গত কয়েক মাস আগেও যেখানে ১ ডলারের সম পরিমাণ টাকা ছিল ৮৫ টাকা এর আশে পাশে সেখানে তা এখন ১০৩ টাকার উপরে। এমনকি এই ডলারের উর্ধ্বগতি যেন বাড়ছেই।

আর তাই খুব শীঘ্রই আমদানী নির্ভর পণ্যগুলোর দাম বেড়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয় বরং বিশ্বব্যাপী ডলার রেট বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি হার বাড়া নিয়ে সবাই শঙ্কিত।

সুতরাং, ফের বাড়তে পারে মোটরসাইকেলের দাম। শুধু মোটরসাইকেলের দাম নয়, বরং এর জ্বালানি পেট্রোল কিংবা অকটেনের দামও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যেহেতু সকল ব্রান্ডের মোটরসাইকেলের দাম বাড়ছে, তাই মোটরসাইকেল কেনার সময় সেই রেশিওতেই আপনাকে পছন্দ করতে হবে বাজেটের মধ্যে কোনটি ভ্যালু ফর মানি।

ফুয়েলের দাম বাড়ার সাথে সাথে মাইলেজের দিকে বেশি ফোকাস করবে মোটরসাইকেল চালকরা। আর এক্ষেত্রে এফআই বাইকের চাহিদা কিছুটা বাড়তে পারে।

রিভিউঃ Yamaha FZS V3 Fi এর মালিকানা লিখেছেন আহসান শিশির

সুতরাং, যারা মোটরসাইকেল কিনতে চাচ্ছেন তাদের উচিত দ্রুতই কিনে ফেলা।

এভাবে ডলার রেট বাড়তে থাকলে মোটরসাইকেলের দাম বাড়তে থাকবে তা খুব ভাল ভাবেই বোঝা যাচ্ছে।

Related Posts

Add Comment